যাত্রা
হ্যাঁ, আমি নেই। সময়ের অস্তিত্বে আমি আর বর্তমান নেই। আসলে আমি যে ছিলাম কিংবা আছি এটাও এক ধরনের ভ্রান্তি। কিংবা আমার ভেতর অন্য কোনো আমি আমাকে উপজিব্য করে বর্তমান হয়ে আছে হয়তো। নিঃশ্বাসে ঘড়ঘড় শব্দ তুলে আমার ভেতরের এই আমি মাংশাবৃত শরীর থেকে মুক্তি নিলাম, এই- এক্ষুনি। এতদিন অভ্যস্ত অভ্যাসের আবেগী দেহটাকে কষ্ট দিয়ে, ক্লান্ত আমি বেরিয়ে এলাম। আমার অবস্থান পরিবর্তনে মহাবিশ্বের হিসেবের বিন্দুমাত্র আক্ষরিক কোনো পরিবর্তন ঘটায়নি। আমি নেই তবু বড্ড বেমানান সমস্যা। সময়, এবং স্মৃতিরা অস্তিত্বের বিমূর্ত বর্তমান হয়ে রইলো অন্যত্র দীর্ঘ নিশ্বাসে, অনেক গুলো মস্তিষ্ক জুড়ে আমার স্মৃতির সময় গুলো ভাসছে। আমার না থাকা অবস্থান ঠিকই তৈরি করে নেবে, অভ্যাস আর অভ্যস্ততায়। মুক্ত অপার্থিব এক চেতনা হয়ে বিলীন মহাকালের গহ্বরে এগুচ্ছি। কিচ্ছু আসে যায়না। তোমরা যাকে প্রান বলো- সে শুধুমাত্র তোমাদের মস্তিষ্কের নিউরনের জটিল ভ্রম স্মৃতি, যেখানে মহাবিশ্ব লালিত হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে।